March 25, 2026, 1:23 am

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

বাঁকড়া উজ্জলপুর মাদ্রাসার শিক্ষক নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার সঠিক তথ্য ফাঁস

বিল্লাল হুসাইন,ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃ

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ১১ নং বাঁকড়া ইউনিয়নের উজ্জ্বলপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা দাখিল মাদ্রাসার, সিনিয়র শিক্ষক নজরুল ইসলামের নামে পুলিশের কাছে বিভিন্ন মিথ্যা মামলার অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের সঠিক রহস্য ফাঁস হয়ে গেছে। ১৪ (চৌদ্দ) লক্ষ টাকার অভিযোগ টাও সম্পূর্ন মিথ্যা। বিভিন্ন পত্র পত্রিকার যে নিউজ হয়েছে তার ভিত্তিতে জানাযায় ১,৩১,০০০৳ (এক লক্ষ একত্রিশ হাজার) টাকা মাত্র প্রায় । উল্লেখ্য যে টাকা লেন দেন হয় পুরুষ মানুষের সাথে,আর ডিবি পুলিশের সাথে কথা হয় অধিকাংশ মহিলাদের সাথে।
আরোও উল্লেখ করা যাচ্ছে  যে পরে তথ্য অনুসন্ধান কালে জানা যায় কাচা পাকা বাড়ী মিটার প্রতি নির্ধারিত ফিসের টাকা ছাড়া কাউকে অতিরিক্ত কোন টাকা দেওয়া হয়নি।
উজ্জ্বলপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মাদ্রাসায় গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে, সিনিয়র শিক্ষক নজরুল ইসলাম সাদা রেজুলেশনে   স্বাক্ষর না করাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ভাবে ফাসানোর জন্য, বিভিন্ন অজু হাতে   মিথ্যা অভিযোগ দেয় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে।
গত কয়েকদিন যাবত একাধারে যে নিউজ করে আসছে বিভিন্ন পত্র পত্রিকা সেটা সম্পুর্ন মিথ্যা।
প্রকাশ থাকে যে যশোর থেকে আসা ডিবি পুলিশের তদন্তে যে তদন্ত করা হয়েছিল সেটা সঠিক, কিন্তু সত্য ঘটনা অনুসন্ধানে গেলে বেরিয়ে আসে সঠিক রহস্য, যাহারাই ডিবি পুলিশের কাছে দেওয়া অভিযোগ পত্রে স্বাক্ষর করেছেন,তাহারাই পুনরায় বলেন,ঐ কাগজে যে টাকা দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছে সেটা মিথ্যা কথা। আমরা এতো টাকা দেয়নি বা দেওয়ার কথা বলিওনি,আর ঐ কাগজে আমাদের নামে যে টাকার লেখা হয়েছে সেটা আমরা জানিনা।
 কঠোর ভাবে উল্লেখ করা হচ্ছে যে, ডিবি পুলিশের সাথে সাক্ষাতের সময় যাহারা উপস্থিত ছিলেন, অভিযোগ পত্রের সাথে অন্য ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এটাই সঠিক তথ্য বলে আমজনতার নিকট থেকে যানা যায়।
অত্র উজজলপুর গ্রামের সাবেক মেম্বর সহ বেশ কিছু ব্যাক্তির স্বাক্ষরিত প্রত্যয়ন পত্র ও করে দেন এলাকা বাসী। যে  লেখা হুবহু তুলে ধরা হল।
 প্রত্যায়ন পত্র
 এই মর্মে প্রত্যয়ন প্রদান করা যাইতেছে যে, মোঃ  নজরুল ইসলাম। সিনিয়র শিক্ষক, উজ্জলপুর শহিদ মুক্তিযোদ্ধা মাদ্রাসা। সে অত্র গ্রামের নাতি ছেলে। ০৭-০২-২০২০ ইং  তারিখে মাদ্রাসার একটি গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে ০৯-০২-২০২০ ইং তারিখে বিকাল ০৩:২০ মিনীটের দিকে মাদ্রাসা অফিস কক্ষে সাদা রেজুলেশনে  স্বাক্ষর না করাকে কেন্দ্র করে শফিকুল  ইসলাম নেদা নামের একটি ছেলে
 ( যে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কোনো সদস্য হিসেবে কোথাও তার নাম উল্লেখ নাই) তাকে ( নজরুলকে) অফিস কক্ষে লাঞ্ছিত ও অপমানিত করেন। উক্ত বিষয়ে নজরুল  ইসলাম মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, ইউ এন ও ও জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে সুবিচার পাওয়ার জন্য আবেদন করে।  এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে কোর্টে একটি মানহানির মামলা করে এবং বিদ্যুৎ সংক্রান্ত বিষয়ে তার বিরুদ্ধে ডিবি বরাবর একটি আবেদন করে।  ডিবি পুলিশ তাকে ডেকে  বলেন যে শাহিন,  শফিকুল ইসলাম নেতা,  ও খোরশেদের  সাথে আপনার যে সমস্যা সেটা মিটিয়ে নিন। তা না হলে আপনি বিপদে পড়বেন,  তারা আমার আত্মীয়,  একথা ডিবি পুলিশ বললেন। মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন,আমি একজন নিরীহ মানুষ, আমার বিষয়ে যেসব লোক দিয়ে অভিযোগ করিয়েছে তাদের কাছে আমি জিজ্ঞাসা করি, তারা বলে তাতে আমরা স্বাক্ষর করি নাই এবং অনেকে বলে আমাদের ভুল বুঝিয়ে স্বাক্ষর  নিয়েছে, সে কথা অনেকেই সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেছেন তার তথ্য প্রমাণ তাদের কাছে আছে। উক্ত বিদ্যুতের বিষয় জনাব মোঃ আব্দুল করিম মেম্বার এর নেতৃত্বে সকল কাজ সম্পন্ন সহ উদ্বোধন করা হয়। ৩১শে  ডিসেম্বর ২০১৫ ইং সালে সাবেক এমপি মনিরুল ইসলাম মনির কে নিয়ে উজ্জ্বলপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা দাখিল মাদ্রাসার মাঠে আমাদের জানামতে সকল বিদ্যুৎ গ্রাহকের কাছ থেকে নির্ধারিত টাকা নিয়েছে উক্ত গ্রাহকের সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০০ জন।
উল্লেখ্য যে মাদ্রাসার মাঠে একটি গর্ত ছিল,উদ্বোধনের টাকা থেকে গর্তটি ভরাট করা হয়।যাহা এলাকাবাসী সবাই জানে এবং মাদ্রাসার অফিসে বসে উক্ত বিষয়ে কয়েক দিন এই বিষয়ে আলোচনা পর্যালোচনা করা হয়। যদি কোন দুর্নীতি বা  সমস্যা হতো তাহলে বিষয়টি তখন জানাজানি  হত।
একটি কুচক্র মহল (নজরুলকে) তাকে ফাঁসানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের কুটকৌশল অবলম্বন করছে আমাদের জানামতে সে ভালো ছেলে  সৎচরিত্র ও আদর্শবান শিক্ষক। আমরা তার সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে
 মোঃ আব্দুল করিম (মেম্বার ) সভাপতি, উজ্জলপুর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ।
মোঃ আব্দুর রশিদ ) সেক্রেটারি উজ্জলপুর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ।
আলহাজ্ব মাওলানা আবু দাউদ (শিক্ষক ) অবসরপ্রাপ্ত (শিক্ষক) ঝিকরগাছা পাইলট হাই স্কুল।
মোঃ কবিরুল । সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জলপুর আওয়ামীলীগ।
 আনসার আলী,মিজানুর মেম্বার,আসগার আলি,সিদ্দিক হোসেন,
নুরুল আমিন  । প্রতিষ্ঠাতা উজ্জলপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা দাগিল মাদ্রাসা।
আব্দুস সাত্তার, দাতা সদস্য।
তরিকুল ইসলাম,  ইছাহাক, । ফরিদা বেগম।অত্র মাদ্রাসার দাতা সদস্য।
আনোয়ারা,  অত্র মাদ্রাসার দাতা সদস্য। আকবর আলি। প্রত্যয়ন পত্রের হুবহু কপির ছবিসহ তুলে ধরা হল।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১১ মার্চ ২০২০/ইকবাল
Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর